স্টাফ রিপোর্টার
আরাফাত হোসেন

ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ড উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের হাকিমপুর এবং শিতেলী পাড়ার জিকে সেচ প্রকল্পের প্রায় ৭/৮ কিলোমিটার গজারিয়া খালের সরকারি গাছ কেটে সাবাড় করেছে একটি প্রভাবশালী মহল। হরিণাকুন্ড থানার হাকিমপুর মাঠের মধ্য অবস্থিত গজারিয়া খালের পাড়ের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে কে বা কাহারা এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন তদন্তে দেখা যায় সেখানে খালের দুই পাড়ের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কাটার মহাউৎসব চলছে।কে বা কাহারা সরকারি এই গাছ কেটে পরিবেশ ধ্বংস ও দেশের আর্থিক ক্ষতি সাধন করছে এমন প্রশ্নের জবাবে উপস্থিত গাছ ব্যবসায়ী নান্নু এবং তার শ্রমিকরা জানায় মেম্বর ওহিদুল এবং কুলচারার কাঠ ব্যবসায়ী কুদ্দুস আমাদের নিকট এই গাছ বিক্রয় করেছে।আমররা তাদের নিকট থেকে গাছ কিনেছি আপনারা তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন যে তাদের পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতি আছে কিনা।এব্যাপারে মেম্বর ওহিদুল এবং কাঠ ব্যবসায়ী কুদ্দুসের নিকট গাছ কাটার কোন অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে গাছ তারা লাগিয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড অনুমতি দিয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানায়।পরবর্তীতে বিষয়টি বিস্তারিত খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডে গেলে নির্বাহী প্রকৌশলীর অনুউপস্থিতে উপ- বিভাগীয় সহকারী প্রকৌশলী সুনীল কুমার ভদ্র বলেন আমাদের সাথে কোন ব্যক্তি বিশেষের সাথে খালের গাছ কর্তনের কোন চুক্তি হয়নি।তবে এব্যাপারে আমাদের নিকট একটি মোখিক অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা হরিণাকুন্ড থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেছি।এবং এবিষয়টি নিয়ে এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে উপ- সহকারি প্রকৌশলী সেলিম রেজা আপনারা একটু উনার সাথেও কথা বলেন।এঘটনা নিয়ে উপ- সহকারী প্রকৌশলী সাংবাদিকদের জানায় আমরা গাছ কর্তনের খবর পেয়ে সেখানে লোক পাঠিয়েছি ।এবং তদন্তপূর্বক হরিণাকুন্ড থানায় ২৪/১২/২০২৩ইং তারিখে একটি সাধারণ ডায়েরী এবং ২৫/০১/ ২০২৪ ইং তারিখে আরেকটি অভিযোগ দায়ের করেছি।সরকারি গাছ কেটে উজাড় করে এভাবে পরিবেশ বিনষ্টকারী এবং আর্থিক ক্ষতি সাধনকারীর বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে কিনা সেব্যাপারে হরিণাকুন্ড থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউর রহমান জানান আমি ছুটিতে ছিলাম বিষয়টি অবগত নই।খোঁজ খবর নিয়ে জানাচ্ছি ।সরাকারি গাছপালা কেটে নিয়ে পরিবেশ বিনষ্টকারী এবং সরকারি সম্পদ লোপাটকারীদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পেয়েও যথাযথ কতৃপক্ষ দৃশ্যমান কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন না করায় সুশীল সমাজ ও সাধারন মানুষের মাঝে তিব্র ক্ষোভ এবং সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।